তিন জেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের অভিযানের বাহিরে রেখে মাদক নির্মূলের স্বপ্ন দেখে প্রশাসন

তিন জেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের অভিযানের বাহিরে রেখে  মাদক নির্মূলের স্বপ্ন দেখে  প্রশাসন
ছবিঃ সংগৃহিত

দৈনিক বিজয় নিউজ বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়া চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর এই তিন জেলার যথাক্রমে মিরপুর উপজেলা গাংনীপুর জেলা এবং আলমডাঙ্গা উপজেলা এই তিন উপজেলার চরমপন্থী সন্ত্রাসী ও মাদকের ডিলার, মাদক ব্যবসায়ী, ও মাদক সম্রাট এদেরকে মাদকবিরোধী অভিযানের বাহিরে রেখে, শুধুমাত্র যাহারা মাদক সেবন করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে  এলাকায় মাদক নির্মূল ও আইন শৃঙ্খলার উন্নতি করতে চাই প্রশাসন। এ সকল মাদক কারবারি এবং শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তথ্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাম্প গুলোতে সরবরাহ করলে, সে সকল ক্যাম্প কমান্ডারদের ভাষ্য মাদকের চালান সহ ধরিয়ে দিন, বা যখন অস্ত্র হাতে চলাফেরা করে তখন তাকে অস্ত্রসহ  ধরিয়ে দিন। অর্থাৎ অস্ত্রসহ এবং মাদকের চালান সহ জনসাধারণকে ধরিয়ে দিতে বলে। জনগণ যদি এই মাদকের চালান সহ এবং আগ্নেয়াস্ত্রসহ সন্ত্রাসীকে ধরার ক্ষমতা রাখে তাহলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কি প্রয়োজন?, এক সময় দক্ষিণবঙ্গে প্রকাশ্যে অস্ত্রসহ মাদকসহ সন্ত্রাসীরা চলাফেরা করতো। কিন্তু এখন এ সকল কর্মকান্ড সবই হয় গোপনে। বাতাস যেমন আছে চোখে দেখা যায় না। ঠিক তেমনি ভাবে দক্ষিণবঙ্গে চরমপন্থীরা সু সংঘটিত হচ্ছে, এটা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামে অপহরণ চাঁদাবাজি এবং খুন এর ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

এই তিন উপজেলায় পূর্বের কার চরমপন্থী লিডার প্রায়  সকলেই এখন  জামিনে মুক্ত আছে। এ সকল নেতারা সকলে গোপনে আন্ডারওয়ার্ল্ডে সক্রিয়। মাদক কারবারি মাদক সম্রাট ইমাদুল এর  তথ্য যখন জনগণ ওসমানপুর প্রাগপুর  ক্যাম্প ও  হাটবোয়ালিয়া  ক্যাম্প কে সরবরাহ করা হয়, যে সারারাত এই ব্যক্তি ইমাদুল  মাদকের চালান গ্রহণ করে এবং বিতরণ করে, উক্ত মাদক কারবারি দিনে রাত্রে প্রায় সব সময় লোক চক্ষুর আড়ালে জীবন যাপন করে, এলাকাতে রাত্রে সক্রিয় থাকে। ক্যাম্প কমান্ডারের ভাষ্য মাদকসহ বা অস্ত্রসহ আমাদের ধরিয়ে দিন অন্যথায় আমাদের কিছুই করার নেই। এটা যদি প্রশাসনের অবস্থান হয়, তাহলে লোক দেখানো এই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করে, দুই একজন মাদক সেবীকে কারাগারে পাঠিয়ে কোনদিন মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। এলাকাতে রাতের অন্ধকারে আবারো সংগঠিত হচ্ছে চরমপন্থীরা এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও অস্ত্র প্রশিক্ষণ। এলাকার সুনাগরিকদের ভাষ্য, প্রশাসন যদি চিহ্নিত সন্ত্রাসী, সন্ত্রাসীদের নেতা, মাদকের ডিলার, এদের গতিবেধির উপর তীক্ষ্ণ নজর না রাখে, এদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা  নজরদারি না বাড়াই, এবং এদেরকে আইনের আওতায় না আনা হয় তাহলে এই লোক দেখানো মাদক বিরোধী অভিযান করে কোন লাভ নেই। অনুসন্ধান চলবে ।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ ইডি