দক্ষিণবঙ্গে আবারো চরমপন্থী সন্ত্রাসীরা সংগঠিত হচ্ছে

দক্ষিণবঙ্গে আবারো চরমপন্থী সন্ত্রাসীরা সংগঠিত হচ্ছে
ছবিঃ জাদু মিয়া ডাকাত

দৈনিক বিজয় নিউজ বিশেষ প্রতিনিধিঃ

পূর্বের চরমপন্থীদের অভয়ারণ্য নামে খ্যাত কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা। এই তিন জেলার মিরপুর উপজেলা, আলমডাঙ্গা উপজেলা ও গাংনী উপজেলা এই তিন জেলার তিন উপজেলা চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের আতুর ঘর নামে পরিচিত ছিলো। সময়ের ব্যবধানে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা পূর্বের চাইতে কমে আসলেও তাহার বীজ সমূলে বিনষ্ট হয় নাই। অনেক চরমপন্থী সন্ত্রাসী তাদের অস্ত্র গোপন করে পাড়ি জমিয়েছিলেন বিদেশের মাটিতে এমনই একজন হলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের মহিবুল  হক মঞ্জিল তিনি ছিলেন চরমপন্থী সন্ত্রাসী বিদ্যুৎ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। সাম্প্রতি তারই প্রত্যক্ষ পরোক্ষ নির্দেশনায় এলাকায় চরমপন্থীরা সংগঠিত হচ্ছে। অল্প কিছুদিন পূর্বে সেনাবাহিনীর হাতে অস্ত্রসহ আটক মোঃ জাদু মিয়া ডাকাত, পিতা মৃত্যু দেলবার ডাকাত, জামিনে বের হয়ে এলাকাতে চরমপন্থীদের সু সংঘটিত করেছে, মহিবুল হক মঞ্জিল এর প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহযোগিতায়। জাদু মিয়া ডাকাত, ডাবল মার্ডার সহ অনেকগুলো মামলার আসামি। ইতিমধ্যেই যাহারা গোপনে অস্ত্র প্রশিক্ষণ সহ সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছেন, তারা হলেন >> ১।আশরাফুল পিতা হাবি মেম্বার, গ্রাম লক্ষ্মীপুর। ২।মোঃ মিনা মোল্লা, পিতা মনন্জের মোল্লা,গ্রাম লক্ষীপুর জাম বাগান। রাত্রে এ সকল চরমপন্থীদের তৎপরতা শুরুর কারণে মোর ভাঙ্গা কেশবপুর মাঠের রাস্তায়, হারদী ওসমান পুর মাঠের রাস্তায়, লক্ষ্মীপুর কেশবপুর মাঠের রাস্তায়, প্রাণপুর লক্ষ্মীপুর মাঠের রাস্তায়, এই সকল গ্রামগুলোর মাঝখানের মাঠের পাকা সড়কগুলোতে সন্ধ্যার পরে এলাকাবাসীর চলাচল সীমিত হয়ে গেছে অনেকাংশেই সন্ধ্যার পরে রাস্তাগুলো জনশূন্যয় পরিণত হয়েছে। এই সকল গ্রামগুলোতে অনেকটা মানুষের মধ্য চাপা ভয় কাজ করিতেছে। কারণ এ সকল ব্যক্তিবর্গ একাধিক মার্ডার  সহ বহু অপকর্মের হোতা। ইতিমধ্যই এ সকল এলাকায় বোমা সাদৃশ্যের বস্তু বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে রেখে আসা হচ্ছে, ভয় ভীতি দেখিয়ে তাদের হীন চরিতার্থ সার্থক করার লক্ষ্যে। ইতিমধ্যেই চরমপন্থী সন্ত্রাসী জাদু মিয়া রাতের অন্ধকারে অন্যের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। এ সকল ব্যক্তিবর্গ সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ও অস্ত্র প্রশিক্ষণ গ্রহণের  স্বার্থে কেহ  রাত্রে  নিজগৃহে রাত্রি যাপন করে না।  এলাকার সুধীজন মনে করেন, চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা শুরুতেই থামাতে না পারলে আবারো দক্ষিণ বঙ্গ সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য পরিণত হবে। সকলেই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।। অনুসন্ধান চলবে ।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ ইডি