বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে প্রায় ১১ লাখ টাকার মালামাল জব্দ
দৈনিক বিজয় নিউজ নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি’র অভিযানে মালিকবিহীন ৪টি বার্মিজ গরুসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ ৭১ হাজার ৫৯০ টাকা। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) টহলদল।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ভালুখাইয়া বিওপি, জারুলিয়াছড়ি বিওপি, লেম্বুছড়ি বিওপি, হাতিমারাঝিড়ি বিওপি এবং ব্যাটালিয়ন সদর টহলদল সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা মালামাল ও গরু ফেলে পালিয়ে যায়। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, বার্মিজ গরু ৪টি এবং বাংলাদেশি বাজারজাতকরণের বিভিন্ন বস্তাসহ মালামাল।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসকেএম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, দুর্গম পাহাড়ি সীমান্ত অঞ্চল হওয়ায় নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদক ও গবাদিপশু পাচার একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে এসব কার্যক্রম কিছুটা কমে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানায়।
পার্শ্ববর্তী মাহাছনের স্ত্রী ছকিনা বেগম বলেন, লুতফুর নাহার কে আমার ছেলেরা মারেনি ধাক্কা দিয়েছে ও-পরে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে। এলাকাবাসী মধ্যে রশিদা, আরফা, ফোরকান জানান, আমরা ঘটনাটি সোনা মাত্রই ঘটনা স্থানে গিয়ে দেখতে পাই, লুতফুর নাহার মাটিতে পড়ে আছে এবং মাথায় পানি দিয়ে, তার জ্ঞান ফিরে আনা হয়েছে। ইউপি সদস্য আবু তাহের বলেন, এদের মধ্যে এই জায়গা সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে আরো অনেকবার অনেক ঘটনা হয়েছে। এ বিষয়টি আমি শুনেছি কিন্তু ঘটনাস্থনে আমি যাইনি। জানতে চাইলে এ বিষয়ে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস,আই অঞ্জন জানান, ঘটনাটি সত্য উক্ত বিষয়টি জায়গার সীমানা নিয়ে তর্কবিতর্কের মধ্যে হয়েছে।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ এম হাবিবুর রহমান রনি