আবারো দক্ষিণ বঙ্গে চরমপন্থী দলের তৎপরতা শুরু।
দৈনিক বিজয় নিউজ বিশেষ প্রতিনিধিঃ
এক সময় কার দক্ষিণবঙ্গের তথা চুয়াডাঙ্গা কুষ্টিয়া মেহেরপুর অঞ্চলের কয়েকজন নামকরা চরমপন্থী নেতার একজন হলেন মহিবুল হক মঞ্জিল, পিতা মৃত্যু মওলা বক্স, গ্রাম কেশবপুর, ইউনিয়ন হারদী, উপজেলা আলমডাঙ্গা জেলা চুয়াডাঙ্গা। এক সময়কার দক্ষিণ বঙ্গ কাপানো চরমপন্থী সন্ত্রাসী মহিবুল হক মঞ্জিল ছিলেন কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলা, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলা, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলা এই তিন উপজেলার ত্রাস নামে পরিচিত, অনুসন্ধানে জানা গেছে মহিবুল হক মঞ্জিল প্রাগপুর গ্রামের ডাবল মাডারের আসামি ছিলেন, এলাকার বিদ্যুৎ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, সেই সময়ে এলাকাতে এমন কোন মানুষ নেই যে তার নির্দেশ অমান্য করতে পারতেন। মঞ্জিলের অনুমতি ব্যতিরেখে গ্রামের কেহ সন্তানের বিয়ে দিতে পারতেন না। এলাকার আন্ডার ওয়ার্ল্ড ছিল তার হাতের মুঠোয়, পরবর্তীতে তৎকালীন সরকার যখন চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালন করেছিলো, তখন অন্যান্য চরমপন্থী নেতা তাহারা অস্ত্র জমা দিলেও মহিবুল হক মঞ্জিল তার বাহিনীর অস্ত্র গোপন করে পারি জমান সৌদি আরবে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে মরহুম এমপি সেলুন জোয়ারদার এর ছত্রছায়ায় দেশে ফিরে এসে, জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় কায়েম করেন তাসের রাজত্ব। ইউনিয়নে তার কথার বাইরে কোন কিছু হতো না। ইউনিয়নের নুরু চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে ওল্টু চেয়ারম্যান ছিল তার হাতের পুতুল। এলাকায় অন্যের জমিতে জোরপূর্বক মাটি কেটে বিক্রয়, অন্যের নিচু জমিতে জোরপূর্বক মৎস্য চাষ ইত্যাদি ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। বর্তমানে পট পরিবর্তনের ফলে এলাকার আধিপত্য ধরে রাখার জন্য প্রায় প্রতি রাত্রেই কোন না কোন গোপন স্থানে চরমপন্থী দল তৈরি, আগ্নেয় অস্ত্রীর প্রশিক্ষণ, করার লক্ষ্যে বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন, বৈঠকের স্থান কুয়াতলা মোহাম্মদপুর গ্রামের মাঠ,মোল্লাপাড়া গ্রাম সংলগ্ন মাঠ, নিজ গ্রামের হাওড়ের মাঠ, এবং বিভিন্ন গ্রামের নির্জন কোন ঘরে চলছে নিয়মিত বৈঠক এবং আগ্নেয় অস্ত্রের প্রশিক্ষণ। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য চরমপন্থীরা অস্ত্র জমা দিলেও এ পর্যন্ত মহিবুল হক মঞ্জিল তার নিজের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র কোন সময় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা করে নাই। এক সময় দক্ষিণবঙ্গে চরমপন্থীরা প্রকাশ্যে দিনের বেলায় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সরকারি বাহিনীর মতো চলাফেরা করতো, তখন মহিবুল হক মঞ্জিল তার বাহিনী নিয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে চলাফেরা করতো, এলাকাবাসীর প্রশ্ন মহিবুল হক মঞ্জিল যে অস্ত্র ব্যবহার করত সেই অস্ত্র গেল কোথায়??।। প্রশাসন যদি মহিবুল হক মঞ্জিল এর এই তৎপরতা শুরুতেই দমন না করে আবারো তৈরি হবে চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য দক্ষিণ বঙ্গ।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ ইডি