লুটপাত সরকারি খাস জমি, ভূমিদস্যুদের তীব্র যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
দৈনিক বিজয় নিউজ সাভার প্রতিনিধিঃ
ঢাকা জেলার সাভার উপজেলায় বনগাঁও ইউনিয়নে গান্ধারিয়া ০৪ নং ওয়ার্ড সান্দায় লুটপাত সরকারি খাস জমিতে ভূমি দস্যুদের তীব্র যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ এলাকা বাসী। ২৯৫/৭৫ নং ভি পি কেসের জমিতে তৈরি হচ্ছে, রাতারাতি বিল্ডিং, ভুগান্তিতে পড়েছে গ্রামের অসহায় মানুষ। সমিতির দোহাই দিয়ে গড়ে তোলে লক্ষ কোটি টাকার পাহাড়। যশোর জেলাতে জন্মগ্রহণ করেন, পরবর্তীতে ঢাকায় এসে মিরপুর ০১ নাম্বার আনছার রোড সংলগ্ন পূর্বপাশে ভাড়া বাসাই বসবাস করেন, মির মেহেদী হাসান। এনজিও নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুলে, যতো ছিটারী, বাটপারি সবই তাহার মধ্যে বিদ্যামান রয়েছে, শুধু তাই নয় , সুদের টাকা ভর্তি ফরম পূরণ, তা ছাড়া বিভিন্ন ফাদে, ফাদ অবলম্বন করে, মানুষের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন মির মেহেদী হাসান। সাভার থানা অসহায় পরিবার পূর্ণবাসন বহু মুখী সমিতির নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রার নং ৪৮/২০০২ প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙ্গিয়ে একটি সমিতির এক জন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মুঠোফোনে যোগাযোগ হলে মির মেহেদী হাসান দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ কে বলেন, আমি পূর্বে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি, বর্তমানে ও আছি ।তিনি আরো বলেন আপনি কে ? আপনাকে আমার সভাপতি কাগজ _ পএ দেখাবো কেনো ? আমি ডিসির অনুমতি নিয়েছি, এখানে প্রশাসন আমার পক্ষে আছি। প্রশাসন পক্ষে থাকলে, আমার আর বাহিরের কোনো মানুষের প্রয়োজন নাই। কোনো মিডিয়া ও প্রয়োজন নেই। আর আমি আপনার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছুক নয়। ক্ষমতার জোরে কেড়ে নেই মানুষের ঘরবাড়ি। নির্যাতন চালাই অসহায় মানুষের উপর। গ্রামের অসহায় মানুষ দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ কে বলেন , নাম ধারী একটি সমিতির নাম ধারন করে, সভাপতির পরিচয় দেন মির মেহেদী হাসান। তবে মির মেহেদী হাসান কোনো সভাপতি নয়। তিনি এলাকার মধ্যে বসবাস ও করেন না। ঐ ব্যক্তি থাকেন মিরপুরে তবে প্রচুর টাকার লোভ দেখিয়ে প্রশাসন কে কিনে নিয়েছেন তিনি। তাদের মাঝে সভাপতি পরিচয় দিয়েছেন মির মেহেদী হাসান সরকারি খাস জমি বিক্রি করছে, সরকারি জমি উচ্ছেদের সময় তাহাদের কি উপায় হবে। লক্ষ লক্ষ টাকার সংকটে বা একে বারে অসহায় হয়ে যাবেন সেই মানুষগুলো। যারা সমিতির পূরাণো সদস্য রয়েছে, তাদের নিকটে জমি না বিক্রি করে,বাহিরের লোকের নিকটে জমি বিক্রি করছেন মির মেহেদী হাসান। এলাকা বাসী আরো বলেন, পূরণ সদস্যদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে, বাহিরের লোকদের নিকটে ঐ স্থানে'ই ঘরবাড়ি তৈরির অনুমতি দিচ্ছে মির মেহেদী হাসান । প্রতিবাদ করার কেউ নেই। প্রতিবাদ করতে গেলে প্রশাসনিক হুমকি দেখান মির মেহেদী হাসান। সদস্য সংগঠন সমিতি নির্বাচন ছাড়া,ই সভাপতির দাবিদার মির মেহেদী হাসান। এক বিন্দু ও নেমে নাই মির মেহেদী হাসান। তীক্ষ্ম বাতাসের গতির মতো চলোমান তৈরি হচ্ছে প্রচুর ঘরবাড়ি। এরাই প্রকৃতপক্ষে ভূমি দস্যু। তারা আরো বলেন যে, এরা সবাই মুখে চাপার ওপর চলে এবং ক্ষমতা দেখাইয়া সস্ত্রাস বাহিনী নিয়ে তাদের কাজ হাসিল করে। তাদের উপর কেউ কোনো কথা বলে না, তারা হুমকি দেয় এবং আইনের ভয় দেখায়। সভাপতি মির মেহেদী হাসান, তিনি কোনো আইনকে ভয় করেন না, বর্তমানে এক পাওয়ার শীল ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন।তাহার একমুঠো ফোনে যেনো সব কিছু তছনছ হয়ে যায়, নতুন কৌশলে বিক্রি করে প্লট, গৃহহীন হচ্ছে সান্দা এলাকা বাসী। বিপুল পরিমাণে তৈরি হচ্ছে ঘরবাড়ি।প্রতিনিয়ত গুণছেন লক্ষ লক্ষ টাকা । কেউ এই সরকারি জমির তথ্য নিতে গেলে, তাহার সঙ্গে মিষ্টি সুরে কথা বলে, সমস্থ কথা কল রেকর্ড করে রেখে, পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে প্রশাসনের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। টাকা যতো লাগে, তাহার চেয়েও বেশী পরিমাণে খরচ করবো, তবু ও পিচ পা হবো না, বলেন মির মেহেদী হাসান।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ মো: ইমরান মোল্লা