চাকরির সুবাধে পরিচয় দীর্ঘদিন প্রেম অতঃপর বিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সুখের সংসার ভালোই চলছিলো

ভালুকায় সন্তানসহ স্বামীর সংসারে ফিরলেন সেই অসহায় নারী

চাকরির সুবাধে পরিচয় দীর্ঘদিন প্রেম অতঃপর বিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সুখের সংসার ভালোই চলছিলো

চাকরির সুবাধে পরিচয় দীর্ঘদিন প্রেম অতঃপর বিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সুখের সংসার ভালোই চলছিলো। গর্ভে আসে সন্তান, এমন সময় জীবনে নেমে আসে এক কালো আধাঁর মোসাঃ রিমা আক্তারের ঘরে। সেই কালো আধাঁর দূরে ঠেলে জীবনকে আলোকিত করে দেন ময়মনিসংহের ভালুকার জামিরদিয়া এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মানবিক মানুষ, মাসুদ পারভেজ চাঁন মিয়া, মোঃ রফিক মিয়া, মোঃ সোহেল ও শরাফত উদ্দিন ঢালী।

মা মারা গেছে অনেক দিন বাবা থেকেও নেই, স্বামীর বাড়ীতেও মারধর অপমান ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী, কোনোভাবে স্বামীর ঘরে সম্মান পাচ্ছিলেন না রিমা। নির্যাতনের শিকার হয়ে অবশেষে একদিন চলে আসে স্বামীর বাড়ী ছেড়ে, ঠাঁই হয় জামিরদিয়া গ্রামের নুরু ঢালীর বাড়ীতে। স্বামী ও তার পরিবার কোন খোঁজ খবর নেয় না। প্রসবের সময় সন্নিকটে। দিন যত যাচ্ছে আশংকা তত বাড়ছে। এমন এমন সময় ওই নারীর পাশে দাঁড়িয়ে নগদ অর্থ সহয়তা প্রদান এবং তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন মাসুদ পারভেজ চাঁন মিয়া, মোঃ রফিক, মোঃ সোহেল, শরাফত উদ্দিন ঢালী।

এ নিয়ে খবর বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর রিমার স্বামী দ্রুত মোঃ রফিক মিয়ার সাথে যোগাযোগ করে পরে শনিবার (১২ই নভেম্বর) রাতে সকলের সামনে রেজিস্ট্রি কাবিন করে ঘরে নিয়ে যাবে মর্মে প্রতিশ্রুতি প্রদান করলে ঐ চার ব্যক্তি রিমাকে তার স্বামী মাসুম বিল্লাহ ওরফে আশরাফুলের হাতে তুলে দেন।

এ সময় তার কাজের ব্যবস্থাও করে দেন তারা। পরে ওই রাতেই তাদের চার জনের সহায়তায় মাস্টারবাড়ী পপুলার হসপিটালে এসে ভর্তি হন এবং সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সুস্থ্য ভাবে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করে।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ডব্লিউবি