দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কাঠের তৈরি শিল্পসমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন মুসলিম স্থাপত্যকলা।

দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কাঠের তৈরি শিল্পসমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন মুসলিম স্থাপত্যকলা।
ছবিঃ মোঃ আতিউর রহমান

দৈনিক বিজয় নিউজ দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

সম্পূর্ণ কাঠের নির্মিত কারুকার্য ও চারুলিপিখচিত এই মসজিদটিতে ১৯১৩ সালে মৌলভী মমিন উদ্দিন আকন স্বরূপকাঠি থেকে আনা ২১ জন দক্ষ কারিগরের সহায়তায় নিজ বাড়িতে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং দীর্ঘ ৭ বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ১৯২০ সালে ইন্দো-পারসিক ও ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর সংমিশ্রণে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। টিনশেড আটচালা বিশিষ্ট এই মসজিদটি ২৪ ফুট লম্বা ও ১৮ ফুট প্রশস্ত। মসজিদের চারপাশের বেড়া তিনটি ভাগে বিভক্ত। এখানে মোট ১২টি জানালা রয়েছে, যার মধ্যে উত্তর-দক্ষিণে ২টি এবং পূর্ব-পশ্চিমে ৪টি করে জানালা রয়েছে। মসজিদের প্রধান আকর্ষণ এর কারুকার্যখচিত প্রবেশদ্বার ও মেহরাব। মমিন মসজিদ বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার একটি স্থাপত্য। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলোর মধ্যে এটি ২৩ তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কাঠের তৈরি শিল্পসমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন মুসলিম স্থাপত্যকলা। সম্পূর্ণ কাঠের নির্মিত কারুকার্য ও চারুলিপিখচিত এই মসজিদটিতে কোনো ধরনের লোহা বা তারকাঁটা ব্যবহার করা হয়নি এবং এসব কারুকাজে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক রং ব্যবহার করা হয়। মসজিদের দেয়ালের কাঠের কারুকার্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ইসলামিক সংস্কৃতি, ক্যালিগ্রাফি, বিভিন্ন ফুল, পাতা ও ফলের মনোমুগ্ধকর নকশা।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ আতিউর রহমান