বিএনপি'র বহিষ্কৃত নেতা ওল্টুর ছাত্র ছায়ায় যুবলীগ নেতা ইমাদুলের রমরমা মাদক ব্যবসা

বিএনপি'র বহিষ্কৃত নেতা ওল্টুর ছাত্র ছায়ায় যুবলীগ নেতা ইমাদুলের রমরমা মাদক ব্যবসা
ছবিঃ সংগৃহিত

দৈনিক বিজয় নিউজ বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা পৌরসভার বিএনপি'র বহিষ্কৃত পৌর সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু, যিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ এর নবনিযুক্ত প্রশাসক ও চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের বিএনপি'র পরাজিত প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরীফ এর আপন খালাতো ভাই,  বিধায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়ার পরেও এলাকায় মাদক সিন্ডিকেট সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। উপজেলার হারদী ইউনিয়ন ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন, পার্শ্ববতী মিরপুর থানার মালিহাদ ইউনিয়ন, পার্শ্ববর্তী গাংনী উপজেলার ১৬ টাকা ইউনিয়ন, এই তিন জেলার মোহনা তিন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাদকের নিরাপদ  অভয়ারণ্য তৈরি করেছেন যুবলীগ নেতা ইমাদুল। আওয়ামী লীগ নেতা মনসুর আলী চেঙ্গিস মেম্বার, চরমপন্থী শীর্ষ সন্ত্রাস মহিবুল হক মঞ্জিল।  এই তিন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগের ক্যাডার কে বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করছেন আলমডাঙ্গার পৌর বিএনপি'র চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ও নবনিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসক, বিএনপি'র চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের পরাজিত প্রার্থী  শরিফুজ্জামান শরীফের আপন খালাতো ভাই জিল্লুর রহমান ওল্টু। অনুসন্ধানে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার রেল স্টেশন সংলগ্ন আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল চেয়ারম্যান এর মার্কেট এবং স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকা থেকে ওল্টুর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় এ সকল মাদকের চালান সাপ্লায় চেইনের মাধ্যমে তিন ইউনিয়নে বিক্রয়ের জন্য  মাদক সম্রাটদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। এ সকল মাদকের বিক্রয় স্পট লক্ষীপুর কেশবপুর সংলগ্ন মাঠ, প্রাগপুর  কেশবপুর সংলগ্ন মাঠ। এলাকাবাসীর অভিযোগ  প্রাগপুর গ্রামের পুলিশ ক্যাম্পের নিরবতার কারণেই এলাকাটি মাদকের অভয়ারণ্য তৈরি হয়েছে। এলাকার জনগণের প্রত্যাশা দেশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই মাদক সম্রাটদের দমন করা সম্ভব নয়। এলাকার সুধীজন মতামত জানিয়েছেন জরুরী ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে মাদক সম্রাটদের নির্মূল না করলে এলাকাটিতে মানবিক বিপর্যয় নেমে আসবে অচিরেই।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ ইডি