বিদেশ থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করে নিজ গ্রামে ফেরেন খালেদ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হয় গ্রামবাসীর।
বৃহস্পতিবার শিল্পকলায় ‘ঊর্ণাজাল’
বিদেশ থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করে নিজ গ্রামে ফেরেন খালেদ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হয় গ্রামবাসীর। স্কুলের জন্য রেখে যাওয়া বাবার স্বপ্নের একখণ্ড জমিতে গড়ে তোলেন মাদ্রাসা। অন্যদিকে, সাঁইজির আখড়ায় বেড়ে ওঠা গায়েন সয়ফুল, খালেদের বাল্যবন্ধু। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হতে শিল্পের মনসংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হন শিল্পী। ঘুণে কাটে একতারাটি।
চক্ষুদান করে যাওয়া জয়নাল গাতকের জানাজা পড়ানোর দায়ে ইমামের জিহ্বা কেটে নেয় কে বা কারা। গাতকের কবরে গোক্ষুর দেখে ভীত সন্ত্রস্ত হয় গ্রামবাসী। এ সুযোগে ধর্মীয় মতবাদের আশ্রয়ে ঢুকে পড়ে অপকৌশল-কূটনীতি। কাফের মুরতাদ হত্যার প্রশিক্ষণ চলতে থাকে দুরের জঙ্গলে, জঙ্গি ক্যাম্পে। বিধর্মী তিনজন ডাক্তার হত্যা করতে পুরো হাসপাতাল ধ্বংসের বর্ণনা, বিভৎসতার চরম রূপ মৃত অন্তঃসত্ত্বা মায়ের পেট ফেটে বেড়িয়ে আসা মৃত নবজাতক।
সমাবেশে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটাতে গিয়ে হতাহতের দৃশ্যে হতবিহবল মুজাহিদের মৃত্য হয়, পিন পয়েন্ট খোলা নিজের হাতের অন্য গ্রেনেডে। গোপনে বাঁশঝাড়ে দাফন হয় লাশটির। মধ্যরাতে শহীদের লাশ খায় একদল শিয়াল। মুরতাদের চোখ নিয়ে বেঁচে থাকা মুজাহিদ বিভ্রান্ত হয় জিহাদী কর্মে। কৌশলে চোখ দুটো উপড়ে ফেলেন আমির। তৃতীয় নয়ন উম্মোচিত হয় মুজাহিদের। এমন গল্প নিয়ে এগিয়েছে বাতিঘরের মঞ্চনাটক ‘ঊর্ণাজাল’।
নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় আছেন বাকার বকুল। দৃষ্টিপাত নাট্যদল আয়োজিত নাট্য উৎসবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় এটি প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুক্তনীল, সাদ্দাম রহমান, সুইটি সরকার, সঞ্জয় গোস্বামী, খালিদ হাসান রুমি, মনিরুজ্জামান ফিরোজ, শিশির সরকারসহ অনেকে।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ডব্লিউবি