চুয়াডাঙ্গা বিএনপির একাংশের মতবিনিময় আলোচনা

চুয়াডাঙ্গা বিএনপির একাংশের মতবিনিময় আলোচনা
ছবিঃ মশিউর

দৈনিক বিজয় নিউজ চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ

একসময়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত চুয়াডাঙ্গার দুটি আসন১ও২, এই আসনে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের বিতর্কিত নির্বাচনে এককভাবে জয়ী হয়ে নিজেদের দখলে রাখেন৷ পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সরকার পালিয়ে গেলে অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে, বিএনপির ভরাডুবি ঘটে৷ ২ টি আসনেই জামায়াতের দখলে চলে যায় ৷ প্রথমবারের মতো এই আসন দুটি বিএনপির হাত ছাড়া হলো৷যেখানে বিএনপির হেভিওয়েট ও সাদামনের একজন নেতা সকলের পরিচিত একটা মুখ , বাংলাদেশ গার্মেন্টস শিল্পের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু৷ তিনিও পরাজিত হন৷ অবশ্যই বিএনপি বিপুল আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনে অসুবিধা হয়নি ৷ নির্বাচন পরবর্তীতে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চানচ্যল্লকর সব তথ্য ৷ যেখানে বিএনপির একাংশের কোন ভোট বিএনপির বাক্সে পড়ে নাই৷ মতভেদ তখনই তৈরি হয় যখন চুয়াডাঙ্গা বিএনপির কমিটি নতুন করে গঠন করা হয়৷ বিগত সময়ে যারা কমিটিতে ছিল অথচ সরকার বিরোধী আন্দোলনে ব্যর্থ তাদেরকে কমিটিতে জায়গা না দেওয়ার কারনে বর্তমানে এই বিভক্ত ৷ বিজয় নিউজের অনুসন্ধানে এইসব তথ্য বেরিয়ে আসছে ৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বর্তমান কমিটি সরিয়ে নতুন কমিটির সভাপতি হিসাবে তরফদারের পক্ষে কাজ করত ইচ্ছুক বলে জানান৷মুলত এই শ্রেণির নেতাদের কারনে বিএনপির ভরাডুবি ৷ তাছাড়া দলীয় হাই কমান্ড অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গায জেলা বিএনপি সভাপতি বাবু খান এখনও একজন সচ্ছ রাজনীতিবিদ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি ৷ সব শ্রেণি মানুষ চাই এই বিভক্তকরন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাজ করা অন্যথায় এখানে বিএনপির সুসংগঠিত হওয়া কঠিন হবে ৷

দৈনিক বিজয় নিউজ/ মশিউর